Home Uncategorized জাপান আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ১০ জানুয়ারী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের...

জাপান আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ১০ জানুয়ারী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

1729
0
SHARE

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
আজ ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৭২ সালের এই দিনে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি পাকিস্তানের কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠ থেকে মুক্তি লাভ করে তাঁর স্বপ্নের স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে থেকে মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসার মাধ্যমে সে বিজয় পূর্ণতা লাভ করে। এইদিন স্বাধীন বাংলার নতুন সূর্যালোকে সূর্যের মতো চির ভাস্বর-উজ্জ্বল মহান নেতা ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফিরে আসেন তার প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে। স্বদেশের মাটি ছুঁয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্মাতা শিশুর মতো আবেগে আকুল হলেন। আনন্দ-বেদনার অশ্রুধারা নামলো তার দু’চোখ বেয়ে। প্রিয় নেতাকে ফিরে পেয়ে সেদিন সাড়ে সাত কোটি বাঙালি আনন্দাশ্রুতে সিক্ত হয়ে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু ধ্বনিতে প্রকম্পিত করে তোলে বাংলার আকাশ বাতাস। জনগণনন্দিত শেখ মুজিব সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দাঁড়িয়ে তার ঐতিহাসিক ধ্রুপদি বক্তৃতায় বলেন, ‘যে মাটিকে আমি এত ভালবাসি, যে মানুষকে আমি এত ভালবাসি, যে জাতিকে আমি এত ভালবাসি, আমি জানতাম না সে বাংলায় আমি যেতে পারবো কিনা। আজ আমি বাংলায় ফিরে এসেছি বাংলার ভাইয়েদের কাছে, মায়েদের কাছে, বোনদের কাছে। বাংলা আমার স্বাধীন, বাংলাদেশ আজ স্বাধীন।’

যুদ্ধবিধ্বস্ত ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সদ্য স্বাধীন বাঙালি জাতির কাছে ছিল একটি বড় প্রেরণা। দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ তীতিক্ষা, আন্দোলন ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার প্রশ্নে বাঙালি জাতি যখন কঠিন এক বাস্তবতার মুখোমুখি তখন পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়। ২৯০ দিন পাকিস্তানের কারাগারে প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুর প্রহর গুনতে গুনতে লন্ডন-দিল্লি হয়ে মুক্ত স্বাধীন স্বদেশের মাটিতে ফিরে আসেন বাঙালির ইতিহাসের বরপুত্র শেখ মুজিবুর রহমান। সে থেকে প্রতিবছর কৃতজ্ঞ বাঙালি জাতি নানা আয়োজনে পালন করে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।তাই আজ জাপান আওয়ামী লীগের উদ্যোগে , BD আওয়ামী কমিনিউটির ব্যবস্হাপনায় টোকিও বিভিও হলে , ১০ জানুয়ারী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয় । উক্ত অনুষ্টানে জাপান আওয়ামী লীগের সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি মোঃ জুলফিকার আলী জুয়েল তরফদার তার তরফদার তার বক্তব্যের শুরুতেই কেদে ফেলেন । তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু দেশে না ফিরে না আসলে আমাদের এই স্বাধীনতা ধরে রাখা কঠিন হত । জাপান আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারন সম্পাদক , জে বি ওয়ান কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক তিনি তাহার বক্তব্যে বলেন বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরছেন এটা অলৌকিক ঘটনা ছাড়া আর কিছুই না । যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বের কারনে পশ্চিম পাকিস্তানীরা জীবন দিল , পূর্ব পাকিস্তানের বাঙ্গালীদের সাথে যুদ্ধে পরাজয় বরন করে মুচলেকা দিয়ে চলে যেতে হল , তাদের হাতের কাছে পেয়ে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানী হায়েনারা জীবিত বাংলাদেশে পাঠাবে কখনও আপামোর বাঙ্গালী জাতি আশা করেননি ।১০ জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরা স্বাধীনতার চেয়ে বেশী আনন্দিত হয়েছিল দেশের সর্বস্তরের জনগন । যাহা ছিল বঙ্গবন্ধু কে মানুষের ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ । বাংলাদেশ আওয়ামী মহিলালীগ জাপান শাখার সিনিয়র যুগ্ন – আহবায়ক রোজিনা জসীম তার বক্তব্যে বলেন বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরেছেন বলেই আমরা স্বাধীনতার পূর্নতা পেয়েছি , ধর্ম ভেদাভেদ দেশ ও অধিকার বন্চিত নারীরা তাদের অধিকার পেয়েছে । বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন ।সভায় জাপান আওয়ামী লীগ , অঙ্গ সংগঠন ও বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের নেতা কর্মীগন তাদের মূল্যবান বক্তব্য রাখেন । মহামারী করোনা , ওমিকরোনের ভয়াবয়তা এবং হলের বিধি নিষেধের কারনে ফাষ্ট ফুডের মাধ্যমে আগত সবাইকে আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে অনুষ্টানটির সমাপ্তি করেন ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here