Home Uncategorized ২১ আগষ্টের নারকীয় হামলা শেখ হাসিনাকে হত্যা করাই ছিল মুল উদ্দ্যেশ্য :...

২১ আগষ্টের নারকীয় হামলা শেখ হাসিনাকে হত্যা করাই ছিল মুল উদ্দ্যেশ্য : ইঞ্জিনিয়ার মো: জসীম উদ্দিন

332
0
SHARE

জাগো তরুন নিজস্ব প্রতিবেদক :

২১ আগষ্টের নারকীয় হামলা শেখ হাসিনাকে হত্যা করাই ছিল মুল উদ্দ্যেশ্য বললেন । চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে আগামী দ্বাদশ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী । কচুয়ার কৃতি সন্তান , বঙ্গবন্ধুর স্নেহ প্রাপ্ত ,জে বি ওয়ান কর্পোরেশনের সন্মানিত চেয়ারম্যান ,বিশিষ্ট সমাজসেবক , মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব , ৮০ দশকের সাবেক ছাত্রনেতা , জাপান আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো: জসীম উদ্দিন প্রধান ।তিনি আরোও বলেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ও ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট একই সূত্রে গাথা। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ১ দিনেই খোকাবাবু থেকে বঙ্গবন্ধু হননি। একটি অজো পাড়াগাঁয়ে কোটালীপাড়া গ্রামে যেখানে কেবলই পানি নদী, ওখানে নৌকা ছাড়া আর কিছুই চলাচল করতো না, সেখান থেকেই এরকম একজন মহান নেতা শুধু জাতীয় না যে বিশ্বের একজন নেতা হতে পেরেছিলেন এবং কাজ করে গিয়েছিলেন পুরো বিশ্বের জন্য। এজন্যই বিশ্ব স্বীকৃতি দিয়েছেন আমাদের জাতির পিতাকে বিশ্বনেতা হিসেবে। তিনি কখনোই নেতা হতে চাননি কিন্তু তিনি তাকে মানুষ নেতা বানিয়েছে কারণ মানুষ তাঁর প্রতি আস্থাশীল ছিলেন। তাঁর সততা, নিষ্ঠা, তাঁর কর্ম দক্ষতার মধ্যে যে লিডারশিপ কোয়ালিটি অর্থাৎ একজন মানুষের যে নেতৃত্বের গুণাবলী থাকা দরকার যার মানবতাবোধ মানুষকে ভালোবাসতে সেখায় সেটা তাঁর মধ্যে ছিল এবং বিশেষ করে তাঁর কথা বলার মধ্যে যে আন্তরিকভাবে মানুষকে সম্মান করার মধ্য দিয়ে যে কারিশমা তিনি অর্জন করেছেন এবং আমি মনে করি এটা ছিল একজন বিরল কৃতিত্বের অধিকারি। ১৯৪৮ থেকে শুরু করে ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত এই ভূখণ্ডের সব আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি ছিলেন সংগঠক হিসেবে এবং নেতৃত্বে। বন্ধুর পথে চড়াই-উৎরাই অতিক্রম করেই তিনি পেয়েছিলেন বাঙালি জাতির অকৃত্রিম ভালোবাসা। জেল-জুলুম ছিল তাঁর জীবনের নিত্যসঙ্গী। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে ঘাতকদল ও তাদের প্রকাশ্য-নেপথ্যের মদদদাতারা ভেবেছিলে, বঙ্গবন্ধুকে তারা মুছে ফেলতে পেরেছে। কিন্তু তারা কল্পনাও করতে পারেনি যে, বঙ্গবন্ধু জাতির চোখের সামনে থেকে সরে গিয়ে স্থান করে নিয়েছেন চোখের তারায়, হৃদয়ের গভীরে, যে আসন থেকে কোনো অপশক্তি তাঁকে সরাতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু নেই, কিন্তু আছে তাঁর আদর্শ। আছেন তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর দক্ষ ও গতিশীল নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে তৎপর লাখো-কোটি কর্মী। সেই রয়ে যাওয়া আদর্শকে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট সেই ঘাতক দালালরা আরেকটি রক্তাক্ত ১৫ আগস্ট ঘটাতে ২০০৪ সালের ২১ আগস্টে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় দলীয় কার্যালয় ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে সেসময় সারা দেশে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাস ও বোমা হামলার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ একটি প্রতিবাদ সভায় শেখ হাসিনার বক্তৃতার শেষ দিকে মুহূর্তেই শুরু হলো নারকীয় গ্রেনেড হামলা। বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হতে লাগলো একের পর এক গ্রেনেড। আর জীবন্ত বঙ্গবন্ধু এভিনিউ মুহূর্তেই পরিণত হলো মৃত্যুপুরীতে। শেখ হাসিনাকে টার্গেট করে খই ফোটার মতো একের পর এক গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায় ঘাতকরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ১৩টি গ্রেনেড হামলার বীভৎসতায় মুহূর্তেই রক্ত-মাংসের স্তূপে পরিণত হয় সমাবেশস্থল। একুশে আগস্ট বাংলাদেশের রাজনীতিতে ১৫ আগষ্টের পর আরেক একটি কলঙ্কময় অধ্যায়। ক্ষমতাসীন দল ও সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিদের সহযোগিতায় এমন হামলার ঘটনা পৃথিবীতে বিরল।১৫ আগষ্ট ও ২১আগষ্টের হত্যাকাণ্ডের পিছনে যারা কলকাঠি নড়েছেন তাদেরকে যেন বিচারের আওতায় এনে বিচার করা হয় তাহা বাংলাদেশের জনগনের প্রানের দাবী । যাহা আর বিলম্ব না এখনই করা উচিত বলে মনে করেন তিনি ।

{“subsource”:”done_button”,”uid”:”F13FDB0D-AFCC-46E1-92E9-FD84E6968E47_1629040507831″,”source”:”other”,”origin”:”gallery”,”source_sid”:”F13FDB0D-AFCC-46E1-92E9-FD84E6968E47_1629040507834″}

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here