Home Uncategorized প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সরকারের করোনা মোকাবিলায় সকল প্রদক্ষেপ ও কূটনৈতিক...

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সরকারের করোনা মোকাবিলায় সকল প্রদক্ষেপ ও কূটনৈতিক তৎপরতাকে স্বাগত জানালেন : ইঞ্জিনিয়ার মো: জসীম উদ্দিন ।

290
0
SHARE

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও
সরকারের করোনা মোকাবিলায় যে সকল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং কূটনৈতিক তৎপরতার প্রশংসা করলেন । চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে আগামী দ্বাদশ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী । কচুয়ার কৃতি সন্তান , বঙ্গবন্ধুর স্নেহ প্রাপ্ত ,জে বি ওয়ান কর্পোরেশনের সন্মানিত চেয়ারম্যান ,বিশিষ্ট সমাজসেবক , মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব , ৮০ দশকের সাবেক ছাত্রনেতা , জাপান আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারন সম্পাদক , বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের কেন্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জাপান শাখার সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো: জসীম উদ্দিন প্রধান ।

জাপান আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো: জসীম উদ্দিন প্রধান বলেন, আজকের এই দিনে আমি আমার বক্তব্যের শুরুতে গভীর শ্রদ্ধা জানাই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যে মহামানবের অবদানে আজ আমরা লাল সবুজের পতাকা নিয়ে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছি। গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৫ আগস্টের সেই কালো রাতে তাঁর পরিবারের যেসব সদস্যরা শাহাদাতবরণ করেছিলেন। গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ ইজ্জত হারা মা বোনদের। গভীরভাবে স্মরণ করি জাতীয় ৪ নেতাকে। বাংলাদেশে করোনার যে আগ্রাসন গত বছরের ৮ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে ইতোমধ্যে আমরা কিন্তু করোনাকে সফলভাবে মোকাবিলা করে চলে এসেছি। বাংলাদেশে করোনার আগ্রাসনের শুরু থেকেই জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এটাকে প্রতিরোধ করার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রথম পর্যায়ে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন, সেই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মাঠে নেমে পড়েছিল। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিকলীগ সহ সব নেতাকর্মীরা প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে করোনা মোকাবিলার জন্য আমাদের সীমিত সামর্থ্য ও স্বাস্থ্য সুবিধা ছিল সেটাকে মাথায় নিয়েই আমরা করোনা মোকাবিলা করে আসছি এখন পর্যন্ত। করোনাকালীন সময়ে আমাদের যে নেতাকর্মীরা আছেন তারা সবাই একেবারেই ইউনিয়ন পর্যায়ে থেকে শুরু করে সকল স্থানে যারা এই কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে তাদের সেবায় রত আছে। সারাদেশে তারা করোনায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ কৃষকের ধান কেটে দিয়েছে। খাদ্য বিতরণ, সবজি বিতরণ, অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করে রাখা, মৃত্যু ব্যক্তির দাফন কাফন করেছে। করোনা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লড়াইটা ছিল প্রশংসনীয়। জীবন এবং জীবিকাকে পাশাপাশি রেখে মানুষ যেন অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে না পড়ে সেটা দেখাই ছিল তাঁর কৌশলের প্রধান দিক। তবে মহামারির মধ্যে সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগ সংকটের মধ্যে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বরাবরের মতই। তাইতো আওয়ামী লীগের অনেক নেতা এই করোনাকালে আক্রান্ত হয়েছেন, মারাও গেছেন অনেকে। সহযোগী সংগঠনগুলো পৃথক পৃথকভাবে টেলি হেল্থ, ফ্রি অক্সিজেন সিলিন্ডার, লাশবাহী ও অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস এবং বিভিন্ন সুরক্ষাসামগ্রী (মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার) বিতরণের কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। যারা সত্যিকারের অর্থেই এই সাহায্যের যোগ্য তাদেরকেই এই সেবাগুলো দেওয়ার জন্য আমাদের মাঠ পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। যারা দৈনন্দিন কাজে নিয়োজিত তাদের কাছে যাতে সত্যিকার অর্থে এই সাহায্য সহযোগিতা পৌঁছায় সেজন্য সব প্রকার প্রচেষ্টা সরকারের পক্ষ থেকে এবং দলের পক্ষ থেকে নেত্রীর নির্দেশে অত্যন্ত সুন্দরভাবে পরিচালিত হচ্ছে।তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ কর্তব্যরত সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং সকলের সুস্বাস্হ ও দীরঘায়ু কামনা করেন ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here