Home কলাম শিক্ষক ও অভিভাবকের সমন্বয়ে গড়ে উঠে শিক্ষার্থী !!! — মোঃ মহসিন হোসাইন...

শিক্ষক ও অভিভাবকের সমন্বয়ে গড়ে উঠে শিক্ষার্থী !!! — মোঃ মহসিন হোসাইন —

184
0
SHARE

শ্রেণিতে শিক্ষার্থীকে শেখানোর প্রক্রিয়া হলো বিদ্যালয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক। শিক্ষক ও অভিভাবক এই প্রক্রিয়ার মূল চালিকাশক্তি। শিক্ষক নির্দেশনা প্রদান করবেন এবং শিক্ষার্থী নির্দেশনা অনুসরণ করে শিখতে সক্ষম হবে আর অভিভাবক এটাকে বাস্তবায়ন করবেন। শিক্ষককেন্দ্রিক কৌশল ব্যবহারের পরিবর্তে শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক কৌশল ব্যবহারে শিক্ষার্থীরা আগ্রহ ও আনন্দের সঙ্গে শিখে থাকে। শিক্ষার্থীদের ক্ষমতা ও প্রবণতা এবং পাঠের বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে শিক্ষক পদ্ধতি ও কৌশল নির্বাচন করে থাকেন। নিম্নে শ্রেণি কক্ষের পাঠদান সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ভাবে আলোচনা করা হল-

১. শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করেই শিক্ষকদের কুশল বিনিময় করতে হবে। তারপর ক্লাসে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক প্রয়োজনে ক্লাস ক্যাপ্টেনের সাহায্য নিতে পারেন।
২. শিক্ষার্থীদের ক্লাসে মনোযোগ আনার জন্য বিষয় শিক্ষক বিশেষ কোনো মজার ঘটনা/সহজ পড়া (পাঠ্য থেকে) বলে বা লিখে মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারেন। ক্লাসে কোনো শিক্ষার্থী অমনোযোগী থাকলে বিষয় শিক্ষক সতর্ক করে দেবেন। বিষয় সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অভয় দেবেন যাতে তারা সহজে প্রশ্ন করতে শেখে।
৩. বিগত ক্লাসের পাঠ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সামান্য আলোচনা করতে পারেন। ক্লাস ক্যাপ্টেনের মাধ্যমে বাড়ির কাজের কপি সংগ্রহ করবেন (যদি কাজ দেওয়া থাকে)। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পড়া আদায় করবেন। পড়া আদায় লিখিতভাবে অথবা মৌখিকভাবে হতে পারে। তবে লিখিত হলেই ভালো। প্রয়োজন হলে ডায়েরি মার্ক করবেন। বাড়ির কাজ থাকলে ক্লাস ক্যাপ্টেনের সহায়তায় বাড়ির কাজ সংগ্রহ করতে হবে। প্রথমেই দুর্বল শিক্ষার্থীদের পড়া ধরা উচিত। দুর্বলদের মধ্যে যারা ঠিকমতো পড়া দিতে পারবে না তাদের আগের দিনের পড়া ক্লাসেই শিখতে দিতে হবে। এরপর অন্যদের পড়া ধরতে হবে।
৪. দিনের পাঠের শিরোনাম উপস্থাপন এবং বিশ্লেষণ করতে হবে।
৫. দিনের পাঠের বিষয়বস্তু বিস্তারিত আলোচনা করা।
৬. দিনের পাঠের কোন অংশটি শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারেনি তা খুঁজে বের করা এবং না বোঝা বিষয়টুকু আরও পরিচ্ছন্ন ও পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দেওয়া।
৭. পরবর্তী দিনের জন্য শিক্ষার্থীদের যে বাড়ির কাজ দেওয়া হবে সেই পাঠ বা পড়ার ওপর শিক্ষক আলোচনা করবেন।
৮. প্রতিটি অনুশীলনী/ অধ্যায়/ বিষয়ভিত্তিক অংশ পড়ানো শেষে ওই অনুশীলনী/ অধ্যায়/ বিষয় থেকে কি কি সম্ভাব্য প্রশ্ন থাকতে পারে (অনুশীলনীগুলো বাদে) তা শিক্ষার্থীদের প্রদান করা। প্রদত্ত প্রশ্নগুলো তৈরি করার জন্য সাধারণ আলোচনা করা।
৯. পরবর্তী দিনের জন্য বাড়ির কাজ ও পড়া শেখার উৎসাহ দান করে শ্রেণীকক্ষ থেকে বিদায় নেওয়া।
১০. কোনো বিষয় পাঠদানের ক্ষেত্রে নতুন কোনো সমস্যার সম্মখীন হলে তা নিজের উপস্থিত বুদ্ধির মাধ্যমে সমাধান করা। সাথে সাথে সমাধান দিতে না পারলে তা পরবর্তী দিনে বুঝিয়ে দেওয়া হবে, তা বলে দেওয়া। শিক্ষার্থীদের কোনো বিষয় বোঝানোর সময় একাধিক উদাহরণ দিতে হবে। যাতে তারা পরিষ্কারভাবে ওই বিষয়ের ওপর ধারণা পেতে পারে।
১১. পাঠদানের সময় কোথাও কোনো অসামঞ্জস্যতা ধরা পড়লে তা অল্প কথায় সমাধান দেওয়া।
১২. আলোচনার মাঝে মাঝে শিক্ষার্থীদের পাঠদানরত বিষয়ের ওপর প্রশ্ন করতে হবে। বিশেষ করে দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করলে জানা যাবে তারা ওই বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা পেয়েছে কিনা বা বুঝতে পারছে কিনা।
১৩. শিক্ষকরা ক্লাসের মধ্যেই বোর্ড ব্যবহার করবেন। গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষকরা বেশি করে বোর্ড ব্যবহার করবেন। বিজ্ঞান বিষয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই চিত্র এঁকে বোঝাবেন। প্রয়োজনে প্রাকটিক্যাল ক্লাস করাবেন।
১৪. দুর্বল শিক্ষার্থীদের হেয় করা যাবে না। তারাও যে ভালো করার ক্ষমতা রাখে এ ব্যাপারে তাদের উৎসাহ প্রদান করতে হবে।
১৫. বিভিন্ন মহানগরী বা জেলা শহরগুলোতে জনসংখ্যার তুলনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অপ্রতুল। এতে সেখানকার অধিকাংশ শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানেই দুটো করে শিফট চালু আছে। একটি প্রতিষ্ঠানে দুটি শিফট চালু থাকলে প্রতিটি বিষয়ের ক্লাসের জন্য বেশি সময় বরাদ্দ থাকে না। এর ফলে কোনো বিষয়ের ওপর বিশদ আলোচনা করা সম্ভব হয় না। এ জন্য কম সময়ের মধ্যেও কিভাবে ক্লাসকে অধিকতর ফলপ্রসূ করা যায় সেজন্য শিক্ষকের আগে থেকেই পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন।
১৬. শিক্ষার্থীদেরকে পঠিত বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে। যাতে তারা নির্ভয়ে না বোঝা বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারে।
১৭. যেসব শিক্ষার্থীর বানান বেশি ভুল হয় তাদের কঠিন শব্দগুলোর বানান শিখতে দেওয়া যেতে পারে।
১৮. প্রাকটিক্যাল এবং চিত্রাঙ্কনে শিক্ষার্থীদের দলগতভাবে কাজ দেবেন। আবার কোনো বিষয়ে দলগত প্রতিযোগিতা করতে দেওয়া যেতে পারে এবং দলগত প্রতিযোগিতা করাবেন।
১৯. শিক্ষার্থীদের মাঝে মধ্যে বোর্ডে লিখতে দিতে হবে।
২০. যেসব শিক্ষার্থীদের হাতের লেখা খারাপ তাদের লেখা উন্নত করার জন্য রোল করা খাতায় নিয়মিত লেখা চেক করতে হবে এবং অক্ষর, শব্দ বা বাক্যগুলো কিভাবে লিখলে সুন্দর হতে পারে এ বিষয়ে দিক-নির্দেশনা দেবেন।
২১. এ ছাড়া ক্লাসে অতিরিক্ত সময় পেলে শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হওয়ার জন্য উপদেশ দিতে হবে।

অংশগ্রহণ মূলক পাঠদানঃ
শিক্ষক-শিক্ষার্থী পরস্পরের মধ্যে সমন্বয়ে পাঠদান ফলপ্রসূ হয়ে থাকে। ফলে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক সহায়তাকারী বা সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবেন এবং শিক্ষার্থীদের চিন্তনদক্ষতা বিকাশের সুযোগ তৈরি করে দেবেন। সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির সফলতা বহুলাংশে নির্ভর করে শিক্ষার্থীকেন্দিক অংশগ্রহণমূলক পাঠদানের উপর।

বাস্তব উপকরণ ব্যবহার করাঃ
শিখন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক হলো শ্রেণিকক্ষে বাস্তব উপকরণ ব্যবহার করে শ্রেণি পাঠ আকর্ষণীয় করে তোলা। শিখন শেখানো কার্যক্রম আরও আকর্ষণীয় করার লক্ষ্যে পাঠ-সংশ্লিষ্ট কোনো বাস্তব ঘটনা বা উদাহরণ বা উপকরণ ছবি, চিত্র, সারণি, চার্ট, পোস্টার কিংবা মডেল ব্যবহার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক নিজে সহজলভ্য উপকরণ তৈরি করতে পারেন। এ পদ্ধতি শিখনের ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর এবং শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। উপকরণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে তথ্য ও প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।

দলীয় কাজ পরিচালনা করাঃ
শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রমে বৈচিত্র্য আনার ক্ষেত্রে দলীয় কাজ একটি সফল শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক পদ্ধতি। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী শিক্ষার্থীর কাছে আকর্ষণীয় ও জনপ্রিয় হলো দলগত কাজ। এর মাধ্যমে শ্রেণির সব শিক্ষার্থীকে পাঠে সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হয়। এতে বিভিন্ন মেধার শিক্ষার্থীর সমন্বয়ের মাধ্যমে শিখন দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং শিক্ষার্থীর মধ্যে পারস্পরিক আন্তরিকতা বৃদ্ধি পায়। এ ধরনের বৈচিত্র্য সৃষ্টিই সৃজনশীলতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

একক বা জোড়ায় কাজ করানোঃ
শিক্ষক অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে শিখন কার্যক্রম আনন্দদায়ক করার জন্য একক বা জোড়ায় কাজ দিতে পারেন। এতে শিক্ষকের নির্দেশনা অনুসারে দুজনে আলোচনার মাধ্যমে বা এককভাবে তাদের সৃজনশীলতা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

অনুশীলনের মাধ্যমে পাঠদানঃ
সাধারণত অনুশীলনের মাধ্যমেই অভিজ্ঞতা অর্জন হয়ে থাকে। কাজেই শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়তা করে থাকেন। ফলে নতুন পরিস্থিতিতে তাদের অর্জিত জ্ঞান প্রয়োগ করার যোগ্যতা অর্জনে সক্ষম হবে।

শিক্ষক যখন বন্ধুঃ
শিক্ষক কখনো শিক্ষার্থীকে নিজে কাজ করিয়ে দেবেন না। এতে শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা বিকাশের সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। একজন শিক্ষকের কাজ হলো শ্রেণিতে শিক্ষার্থীরা কোনো নির্দিষ্ট পাঠ কীভাবে শিখবে এবং কীভাবে পড়বে তা ঠিক করে দেওয়া। শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে কাজটি করবে, শিক্ষক শুধু ওই কাজ সম্পাদনে সহায়ক উপায়-উপকরণ প্রদর্শন ও জোগান দেবেন। শিক্ষার্থীদের কাজের মাধ্যমে শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেবেন। প্রয়োজনে শিক্ষার্থীরাই সৃজনশীল প্রশ্ন তৈরি করবে এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর ও পূর্ণাঙ্গভাবে লেখার যোগ্যতা অর্জন করবে।

শিক্ষার্থীদের যেসব গুণাবলী থাকা প্রয়োজন :

  • ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে হবে।
  • নিজের আচরণ ও কর্মে যাতে অন্য কেউ মনোকষ্ট না পায় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • কারও আর্থিক বা অন্য কোনো প্রকার ক্ষতি করা যাবে না।
  • সম্ভব হলে অন্যের উপকার করতে হবে।
  • মিথ্যা বলবে না, সৎ পথে চলবে।
  • অন্যায়কে ঘৃণা করবে।
  • অহঙ্কারি হবে না।
  • গরিব বা ছোট পেশার মানুষকে অবজ্ঞা করবে না, সম্ভব হলে সহযোগিতা করবে।

অভিভাবকের করণীয়ঃ

বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করাঃ
আপনার সন্তানকে বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি ও শ্রেণির পাঠগ্রহণে উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন। সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর দিতে নিজেকে প্রস্তুত করার উপযুক্ত জায়গা হলো শ্রেণিকক্ষ। শ্রেণির কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষক সৃজনশীল প্রশ্ন প্রণয়ন কৌশল, অনুশীলন, নম্বর বণ্টন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জ্ঞান দান করেন। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন-উত্তর তৈরির বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে বুঝতে পারবে এবং সে অনুসারে তা প্রয়োগ করতে সক্ষম হবে।

সন্তানকে গাইড থেকে বিরত রাখাঃ
সৃজনশীল প্রশ্নপত্রের অনুশীলনের ক্ষেত্রে বাজারের প্রচলিত বিভিন্ন ধরনের গাইড ও নোট বই সংগ্রহ করা এবং তা মুখস্থ করা থেকে আপনার সন্তানকে বিরত রাখবেন। চেষ্টা করবেন সকল পড়াই যেন আপনার সন্তান বই থেকে পড়ে।

বাসায় পড়ার পরিবেশ তৈরি করাঃ
প্রত্যেক অভিভাবককে তার বাসার পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষা দীর্ঘস্থায়ী ও বাস্তবভিত্তিক করার জন্য সব শিক্ষার্থীকে বাসায় নিয়মানুসারে অধ্যবসায় করা প্রয়োজন। অভিভাবকের সচেতনতায় বাসায় শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়ে থাকে।

সন্তানের খোঁজখবর রাখাঃ
প্রত্যেক অভিভাবকের উচিত তার সন্তানের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া। শিক্ষা বিষয়ে সর্বশেষ সংস্কার সম্পর্কে ভালোভাবে অবহিত করা। একজন দায়িত্বশীল অভিভাবক হিসেবে তার সন্তানের বিদ্যালয়ের প্রতিদিনের শ্রেণির কাজ, বাড়ির কাজ ও অনুশীলনমূলক পরীক্ষার অগ্রগতির খোঁজ রাখা প্রয়োজন। ফলে নিজ নিজ সন্তানেরা তাদের কাজের প্রতি আরও যতœবান হবে।

বিদ্যালয়ের কর্মকান্ডে অংশগ্রহণঃ
অভিভাবক বিদ্যালয়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিদ্যালয়ের পড়াশোনার পরিবেশ উন্নয়নকল্পে তাঁরা শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে পরামর্শ প্রদান করে থাকেন। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সমস্যা। বিদ্যালয়ের কার্যক্রমের সঙ্গে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের বিভিন্ন সমস্যা জড়িত। প্রয়োজনে পাঠের বিষয়বস্তুকে বাস্তব জীবনের কোনো ঘটনার সঙ্গে মিল বা সম্পর্ক রেখে তা গল্পাকারে সন্তানদের বলা যেতে পারে। তখনই শিক্ষা দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং বাস্তব জীবনে নিজেও তা কাজে লাগাতে পারবে।

শিক্ষাই হল সমাজের মূল চাবিকাঠি। শিক্ষার মাধ্যমেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে নিজ গতিতে। শিক্ষাই পারে বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ করা বাস্তবায়ন করতে। তাই আমরা শিক্ষাকে অবহেলা না করে আসুন শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে একটা সুন্দর, সূশীল দেশ গড়ি।

লেখক পরিচিতঃ
কবি, লেখক, কলামিস্ট ও সাংবাদিক।
কেন্দ্রীয় সহ- সাধারণ সম্পাদকঃ বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক কল্যাণ সোসাইটি।
কেন্দ্রীয় মহাসচিবঃ ন্যাশনাল স্পোর্টস ক্লাব।
পরিচালকঃ পথের শিশুর পাঠশালা।
সাধারন সম্পাদকঃ মানবতার ডাক সামাজিক সংগঠন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here